প্রথম কথা:
সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহরই একক পাওনা। দরূদ ও সালাম ঐ মহাজনের উপর যাঁর পরে আর কোন নাবী আসবেন না। তাঁর পরিবারবর্গ ও সাথীদের প্রতিও বর্ষিত হোক শান্তির ধারা। এরপর কথা হলোঃ কোন নেক আমল মহান আল্লাহর দরবারে গ্রহণ যোগ্য হতে হলে তা (উক্ত আমল) দু’টি মৌলিক শর্ত সাপেক্ষে সম্পাদিত হতে হবে নতুবা কস্মিনকালেও তা মহান মালিকের দরবারে গৃহীত হবে না।
১. আমলটি একমাত্র মহান আল্লাহকেই খুশী করার জন্য হবে, তাতে দুনিয়াবী কোন স্বার্থ বা মানুষের ‘বাহবা’ কুড়ানোর নিয়্যাত থাকলে হবে না।
২. একমাত্র নাবী মুহাম্মদুর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর শেখানো পদ্ধতিতেই আমলসমূহ সম্পাদিত হতে হবে, তাঁর অনুমোদন ছাড়া ধর্মের নামে যাই করা হোক না কেন, সবই বিদ্’আত ও ভ্রষ্টতা এ কথা চিরসত্য। সুতরাং বাপ-দাদা হতে চলে আসা কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী রসম-রেওয়াজ, পীর-পরোহিত ও ঠাকুর-সন্ন্যাসীদের বানাওয়াট পথ ও পন্থা, মুরুব্বীদের শেখানো মিথ্যা বুলি আর নেতাজীদের আবিষ্কৃত সমাজ ধ্বংসী তন্ত্র-মন্ত্র অবশ্যই বর্জনীয়। আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ অর্থাৎ যে ব্যাক্তি স্বীয় পালন কর্তার সাক্ষাৎ কামনা করে, সে যেন ভাল কাজ করে এবং তার প্রভূর ইবাদাতে কাউকে শারীক না করে। (সূরা-আল্-কাহ্ফ-১১০)। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় হাফেয ইমাদুদ্দীন ইবনু কাছীর (রাহেমাহুল্লাহ) বলেন, আর এ দু’টোই হলো আ’মল ক্ববূলের শর্ত।’ বিস্তারিত>